NTRCA প্রিমিয়াম প্রস্তুতি

১০০% প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে আনলিমিটেড এক্সাম সিস্টেমে যুক্ত হোন।

প্যাকেজ দেখুন

বাংলাদেশের সম্পদ (বন, কৃষি, শিল্প ও পানি)

তথ্যকণিকা:

বাংলার প্রকৃতি, বাংলার মাটি এবং বাংলার বনভূমি, মৎস্য, খনিজ পদার্থ, সৌর তাপ, প্রাকৃতিক জলাশয় ইত্যাদি সব কিছুই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অপরিসীম ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশের দারিদ্র্য দূরীকরণ, খাদ্য নিরাপত্তা বিধান এবং উন্নত জীবনমান নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন প্রাকৃতিক সম্পদের যথাযথ ব্যবহার। (তথ্য সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪)

জিডিপিতে খাতভিত্তিক অবদান (সমীক্ষা ২০২৪)

খাতের নাম অবদানের হার খাতের নাম অবদানের হার
কৃষি ১১.০২% মৎস্য ২.০৮%
শিল্প ৩৭.৯৫% প্রাণিসম্পদ ১.৯০%
সেবা ৫১.০৪% বনজ ১.৬৯%
  • বাংলাদেশে কৃষি খাতে নিয়োজিত মোট শ্রম শক্তি – ৪৫% (অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে)

  • বাংলাদেশে কৃষি খাতে নিয়োজিত মোট শ্রম শক্তি – ৩৭.৯১% (আদমশুমারি বা জনশুমারি - ২০২২ অনুসারে)

  • কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, মৎস্য এবং প্রাণিসম্পদ খাতে বাজেট – ৩৮,২৬৯ কোটি টাকা। (বাজেট ২০২৪-২০২৫)

  • কৃষিতে ভর্তুকির পরিমাণ – ১৭,২৬১ কোটি টাকা। (বাজেট ২০২৪-২০২৫)

বনজ সম্পদ

জলবায়ুগত অবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের বনজ সম্পদ এবং অর্থনীতির সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ, সেক্ষেত্রে একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ও পরিবেশের ভারসাম্যের জন্য মোট আয়তনের ২৫ শতাংশ বনভূমি প্রয়োজন।

বাংলাদেশের সমগ্র বনভূমি চারটি ভাগে বিভক্ত। যথা-

  • সংরক্ষিত বন: সুন্দরবন, চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটের অধিকাংশ বনাঞ্চল।

  • আশ্রিত বন: চট্টগ্রাম ও সিলেটের কিছু কিছু বন। জেলা প্রশাসক কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত।

  • দায় প্রদত্ত বন: ঢাকার ভাওয়াল, টাঙ্গাইলের আটিয়ার বন, রংপুর ও দিনাজপুরের বন এই শ্রেণিভুক্ত। এই শ্রেণিভুক্ত বনের মালিক ছিল উক্ত জমির মালিকেরা। বর্তমানে সংরক্ষিত শ্রেণীর বন।

  • অশ্রেণিভুক্ত বন: দেশের বিচ্ছিন্ন বনগুলো অশ্রেণিভুক্ত বনের অন্তর্গত।

উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য অনুসারে বনভূমি তিন প্রকার। যথা-

  • ক্রান্তীয় চিরহরিৎ অরণ্য: এই অরণ্যে সব সময় সবুজ থাকে, তাই এই বনকে চির হরিৎ অরণ্য বলে। যেমন, চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটের বন। উদ্ভিদ সমূহ - চাপালিশ, তেলসুর ও ময়না ইত্যাদি।

  • পত্র-পতনশীল অরণ্য: এই অরণ্যে শীতকালে বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়, গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়। যেমন, মধুপুরের শালবন। উদ্ভিদ সমূহ - গর্জন, গামারি, জারুল, শিমুল।

  • গরান অরণ্য: জোয়ারভাটা প্রভাবিত উপকূলে যে বনের সৃষ্টি হয়েছে তাই গরান অরণ্য। যেমন, সুন্দরবন। উদ্ভিদ সমূহ-সুন্দরী, গেওয়া, ধুন্দল। গরান অরণ্যকে ৪ ভাগে ভাগ করা হয়েছে— ১। চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল, ২। সিলেট অঞ্চল, ৩। সুন্দরবন, ৪। টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ বা মধুপুরে গড় অঞ্চল।


এই অধ্যায়ের সম্পূর্ণ তথ্য দেখতে Full Access প্যাকেজে আপগ্রেড করুন।
প্যাকেজ আনলক করুন
এই অধ্যায়ের প্রশ্নসমূহ
1. পাহাড়পুরের ‘সোমপুর মহাবিহার’ বাংলার কোন শাসন আমলের স্থাপত্য কীর্তির নিদর্শন? 2. ‘গণহত্যা যাদুঘর’ কোথায় অবস্থিত? 3. নভেরা আহমেদের পরিচয় কী হিসাবে? 4. ‘Untranquil Recollections: The Years of Fulfilment’ শীর্ষক গ্রন্থটির লেখক কে? 5. ‘রেহেনা মরিয়ম নূর’ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন- 6. মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? 7. ‘সাবাস বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যটির স্থপতি কে? 8. ‘ঢাকা গেইট’ এর নির্মাতা কে? 9. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ প্রথম প্রকাশিত হয় কত সালে? 10. নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত ‘সোমপুর বিহার’ এর প্রতিষ্ঠাতা কে? 11. প্রান্তিক হ্রদ কোন জেলায় অবস্থিত? 12. আলুটিলা প্রাকৃতিক গুহা কোথায় অবস্থিত? 13. ‘Let there be Light’ - বিখ্যাত ছবিটি পরিচালনা করেন - 14. ‘জীবন থেকে নেয়া’ চলচ্চিত্রটির পরিচালক কে? 15. টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে কে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন?

এই অধ্যায়ে আরও 121 টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন রয়েছে!

সম্পূর্ণ MCQ লিস্ট এবং মডেল টেস্ট প্যানেল আনলক করতে Full Access প্যাকেজে আপগ্রেড করুন।

ড্যাশবোর্ডে অ্যাক্সেস নিন
NTRCAprep.com